Home / Religion / পাখি পালন বিষয়ে ইসলাম যা বলে !

পাখি পালন বিষয়ে ইসলাম যা বলে !

পাখি পালনে ইসলামী শরিয়তে কোনো বাধা নেই।তবে অবশ্যই পাখির আহার প্রদানসহ যথাযথ যত্ন নিতে হবে। হাদিসে এসেছে,আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) সবচেয়ে অধিক সদাচারী ছিলেন।আমার এক ভাই ছিল—তাকে আবু উমায়ের বলে ডাকা হতো। আমার ধারণা যে সে তখন মায়ের দুধ খেত না।যখনই সে তাঁর কাছে আসত,তিনি বলতেন,হে আবু উমায়ের!কী করছে তোমার নুগায়র?সে নুগায়র পাখিটা নিয়ে খেলত।আর প্রায়ই যখন সালাতের সময় হতো,আর তিনি আমাদের ঘরে থাকতেন,তখন তাঁর নিচে যে বিছানা থাকত,একটু পানি ছিটিয়ে ঝেড়ে দেওয়ার জন্য আমাদের আদেশ করতেন।তারপর তিনি সালাতের জন্য দাঁড়াতেন এবং আমরাও তাঁর পেছনে দাঁড়াতাম।আর তিনি আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন।

Loading...

ফ্যাশন ও মডেলিংয়ের এ যুগে অলংকার পরিধানে ইসলামের নীতিমালা অলংকার মানুষের রুচিবোধ,ব্যক্তিত্ববোধ,আর্থিক অবস্থা ও জীবনাচারের প্রকাশ ঘটায়।ফ্যাশন ও মডেলিংয়ের এ যুগে অলংকারের নিত্যনতুন ব্যবহারবিধি,রূপ ও পদ্ধতি প্রকাশিত হচ্ছে।ইসলাম বরাবরই সৌন্দর্যবোধকে পছন্দ করে।তবে সব বিষয়েই ইসলামের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে।এ বিষয়টিও এর ব্যতিক্রম নয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন,নারী ও পুরুষের জন্য সোনা-রুপার পাত্র আর পুরুষের জন্য সোনার আংটি ও রেশমজাত কাপড় ব্যবহার করা হারাম।আর নারীদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ।তবে সোনা-রুপা ও রেশমের অনধিক চার আঙুল পরিমাণ পাড় ও আঁচল বা অনুরূপ কিছু পুরুষের জন্য বৈধ।কিন্তু কেন?কী কারণে পুরুষদের জন্য সোনা-রুপা ব্যবহার করতে নিষেধ করা হয়েছে? নিম্নে এ বিষয়ে আলোচনা করা হলো—

১.সোনা এমন একটি বস্তু, যার ওপর অনারবরাও গর্ব করে থাকে।যদি এ উদ্দেশ্যে সোনার অলংকার পরিধান করার ব্যাপক প্রচলন চালু হয়ে যায় যে পুরুষ ও নারী সবাই ব্যাপকভাবে পরিধান করতে পারবে,তাদের বেশি বেশি দুনিয়া অনুসন্ধানের প্রয়োজন পড়বে।রুপা এর বিপরীত, রুপার দ্বারা পুরুষদের জন্য শুধু আংটি বানানোর বৈধতা দেওয়া হলে এ অনিষ্টতা আবশ্যক হয় না।তবে নারীদের ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়ার কারণ হলো,নারীদের সাজসজ্জার প্রয়োজন বেশি হয়। কারণ সাজসজ্জার কারণে তাদের স্বামীরা আকৃষ্ট হয়।এ কারণেই আরব হোক বা অনারব হোক, পুরুষদের তুলনায় নারীদের সাজসজ্জা করার প্রয়োজন বেশি,এমন রীতি আগে থেকেই চলে আসছে। তাই পুরুষের তুলনায় নারীদের বেশি অলংকার ব্যবহারের বৈধতা দেওয়া হয়েছে। মহানবী (সা.) উভয়ের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্টভাবে বর্ণনা করে বলেন,স্বর্ণ ও রেশমি পোশাক আমার উম্মতের নারীদের জন্য বৈধ করা হয়েছে এবং পুরুষদের জন্য হারাম করা হয়েছে।

সীমাহীন বিলাসপ্রিয়তা নিন্দনীয় কাজ,তথাপি এটা কোনো বিধিবদ্ধ বিষয় নয় যে এ বিষয়গুলো নিয়ে যেকোনো নিম্নস্তরের লোক উচ্চস্তরের কাউকে কৈফিয়ত তলব করতে পারে। মানুষের জীবনপদ্ধতি বৈচিত্র্যময় হওয়ার কারণে সবার বিলাসিতা এক রকম হয় না।কারো বিলাসিতার সামগ্রী অন্যের দৃষ্টিতে সীমিত পরিসরের জীবন হিসেবে সাব্যস্ত হয়। তেমনিভাবে কোনো বস্তু একজনের কাছে মূল্যবান কিন্তু অন্যজনের কাছে তা নগণ্য মনে হয়।তাই ইসলামী শরিয়ত সঙ্গে সঙ্গে সেগুলোর কারণও দর্শিয়েছে।সেগুলোর মাধ্যমে মানুষ শুধু শান্তির উপকরণ তালাশ করে এবং তা সমাজে নিছক বিলাসিতার সামগ্রী হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছে। ইসলামী শরিয়ত যেসব বিষয়ে রোম ও অনারবের সবাইকে অভ্যস্ত পেয়েছে সেগুলোকে পূর্ণমাত্রার বিলাসসামগ্রী হিসেবে চিহ্নিত করে হারাম আখ্যায়িত করেছে। অন্যদিকে যেসব বস্তু থেকে স্বল্প পরিসরে উপকৃত হওয়া বিধিবদ্ধ হয়েছে অথবা প্রতিবেশী দেশে ওই বিষয়টি অভ্যাসের রূপ নিয়েছে সে সম্পর্কে শরিয়ত কোনো ইতিবাচক বিধান প্রণয়ন করেনি। ফলে সোনা-রুপা ও রেশমের ব্যবহারকে হারাম সাব্যস্ত করেছে এবং সেগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভীতিপ্রদর্শনমূলক বাণী নির্দেশ করেছে।যেমন—রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা সোনা-রুপার পাত্রে পানাহার কোরো না। কেননা এগুলো দুনিয়াতে কাফিরদের জন্য আর তোমাদের জন্য জান্নাতে।

About admin

Check Also

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেন এত প্রধানমন্ত্রী !

ব্রিটেনে কনজারভেটিভ পার্টির নেতা হওয়ার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবং সেই সুবাদে ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে বিজয়ী …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *